৫ই ডিসেম্বর রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। এরপরই স্বামীর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় যৌতুক, নারী নির্যাতন মামলা ও সাইবার অপরাধ আইনের আওতায় মামলা করেন তমা। মামলার এজাহারে তমা মির্জা উল্লেখ করেছেন, হিশাম চিশতী বিভিন্ন সময় তাকে যৌতুকের জন্য মারধর করতেন। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি প্রকাশের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও তোলেন তমা। তিনি বলেন,’ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ লাখ টাকা এমন দাবি করেছে সে। এর প্রেক্ষিতে আমাকে মারধোরও করে। এই মারামারির করার অভ্যাসটা তার অনেক আগে থেকেই।’
অন্যদিকে তমা মির্জার মামলার পর স্বামী হিশাম চিশতী তমা সহ তার বাবা মা এবং ড্রাইভারের নামে মামলা করেন। হিশামের মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ধার নেওয়া টাকা চাইলে তমার বাড়ির সদস্যরা লোহার চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে ও গলায় ওড়না পেচিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করে।
পুলিশ জানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার কারণে আমরা মোবাইল জব্দ করে ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বাড্ডা থানার ওসি তদন্ত মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন,’ইনজুরি সার্টিফিকেটের জন্য আমরা চিঠি লিখেছি। পর্ণোগ্রাফীর অভিযোগের জন্য সিআইডির পারমিশন নিয়ে আমরা এক্সপার্ট নিয়োগ দিব।’
সবমিলিয়ে পাল্টাপাল্টি এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষাতেই আছেন সবাই।





















